স্টোরে কাজের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ

মোহাম্মদ জসীম ঊদ্দীন

RMG সেক্টরে কাজের হাতেখড়ি সেই ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে. শুরুটা স্টোর ডিপার্টমেন্টে অতঃপর  কয়েক বছর একাউন্টস, পারচেজ আর প্রোডাকশন বিভাগে ঘুরে আবার ২০০৬ সালে  স্টোর ডিপার্টমেন্টে যাত্রা শুরু। এর পর থেকেই এই বিভাগে কাজ করে আসছি সততার সাথে। এই সেক্টরে অসদুপায়ে আয় রোজগারের যে বিশাল সুযোগ যে যে বিভাগে তন্মধ্যে স্টোর অন্যতম। আমার চেনা অচেনা অনেকেই আজ কোটিপতি। আয় ব্যায়ের হিসাব কিছুতেই মিলাতে পারিনা। আজকের বিষয় অবশ্য সততা নয়। স্টোর এবং ক্যারিয়ার।

শুধু বাংলাদেশেই নয়, এই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেই স্টোর বিভাগ একটি অবহেলিত বিভাগ। এখানে কোন মেধাবী ছাত্রের উপস্থিতি একেবারেই নগন্য। মেধাবী বলতে সার্টিফিকেটধারী  ছাত্রদের কথা বলছি। MBA অথবা BSc পাশ করে এই দেশের কোন ছাত্র দুঃস্বপ্নেও স্টোরে কাজ করতে চাননা বা ভাবতে পারেন না । সবাই চান Merchandising, Planning, HR অথবা IE তে যেতে। কারন হিসেবে সবার ভাবনা, স্টোর এ ক্যারিয়ার নাই। উল্লেখিত বিভাগে যেতে পারলে ৮/১০ বছরেই বিগ বস। অথচ Operation Management এ Manufacturing কোম্পানির জন্য প্রোডাকশনকে মেরুদণ্ড বলা হলেও Store কে বলা হয় Heart of industries. এই বিভাগের দক্ষতার উপর নির্ভর করে উৎপাদনের গতিবেগ, গুনগত মান ও সঠিক সময়ে পন্য সরবরাহ। একটি proactive ষ্টোর টিম অনেক বিশাল অবদান রাখতে পারে কোম্পানির ব্যায় নিয়ন্ত্রণে, অবদান রাখতে পারে অপচয় রোধে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক সত্য হল এই বিভাগে যারা কাজ করে তাদের বেশিরভাগই substandard. অন্যকোন চাকরি যাদের জোটেনি অথবা কারও দূর সম্পর্কের আত্মীয় বেকার পরে আছে তাদেরকে ধরে এনে বসিয়ে দেয়া হয় স্টোরে। ন্যূনতম কোন প্রশিক্ষণ তাদেরকে দেয়া হয়না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই substandard লোকগুলো যখন কাজ শুরু করে তখন তাদের সামনে থাকেনা কোন কর্ম নির্দেশিকা অথবা থাকেনা কোন SOP। এরা কাজ করেন কখনো মার্চেন্ডাইজারের নির্দেশনায়, কখনো প্রোডাকশনের লোকজনের নির্দেশনায়, আবার কখনো এডমিনের দেখানো পথে, কখনো বা একাউন্টস এর নির্দেশনায়। ফলে স্টোরের লোকদের মধ্যে একধরনের কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা কাজ করে এবং এত এত বসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে করতে নিজেদেরকে লিডার হিসেবে তৈরী করার কোন চিন্তা মাথায় আসেনা বা করতে পারেনা। অন্যদিকে এরা প্রোডাকশনের সাথে সম্পৃক্ততার কারনে ডিউটি আওয়ার শুরু হয় একসাথে কিন্তু শেষ কখন তা জানা নাই। এই দেশে বেশীরভাগ শিপমেন্ট হয় গভীর রাতে। জানিনা এটার জন্য কোন বায়ারের requirement আছে কিনা। কিন্তু শিপমেন্ট দিয়ে যেতে হবে যত রাতই হোক। এখানে একটা কথা না বললেই নয় আর তাহল supply chain এর চাহিদানুযায়ী স্টোর পন্য হস্তান্তর করবে C&F কে কমার্শিয়াল এর প্রতিনিধির সাক্ষাতে। কিন্তু EPZ আর কিছু Multinational কোম্পানি ছাড়া আর কোথাও এই নিয়ম অনুসরণ করতে আজ পর্যন্ত দেখিনি।

এই রাতের ৩-৪ টা পর্যন্ত শিপমেন্ট দেয়া লোকগুলোকে আবার পরেরদিন সঠিক সময়ে অফিসে হাজির হতে হয়, অন্যথায় HR Admin নানারকম ভয়ভীতি দেখায় ফলে লোকগুলো ধীরে ধীরে একধরনের খিটখিটে মেজাজের হয়ে যায়। এরা ভুলে যায় স্মার্টনেস, ভুলে যায় ব্যক্তিত্ব এবং অর্গানাইজেশনাল আচরণ। প্রোডাকশন এর চেয়ে বেশী পরিশ্রম করলেও দিন বা মাস অথবা বছর শেষে এরা আর্থিক কিংবা অফিসিয়াল ফল ভোগ করে অনেক কম, এমনকি সবচেয়ে কম।
গেল দশকে এই যে বিভিন্ন রকমের অডিট হয় এখানেও স্টোর ডিপার্টমেন্ট এর ভূমিকা ব্যাপক। এমনকি অডিট ফেল করার পাশাপাশি এদের অবহেলায় বায়ারের কাজ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। Accounts, Commercial, Store, Merchandiser এদেরকে বলা হয় সাপোর্ট টিম। এখানেও খাতা কলমে সবার কাজ থাকলেও শারীরিকভাবে পরিশ্রম করতে হয় একমাত্র স্টোরের লোকদের। উল্লিখিত ডিপার্টমেন্ট গুলোর কাউকেই কমপ্লায়েন্স দেখতে না হলেও স্টোরের লোকদের তাও নিশ্চিত করতে হয়।

এই সেক্টরটা খুব বেশি বড় না হলেও আমাদের দেশের যেহেতু সবচেয়ে বড় সেক্টর তাই আমার সাবজেক্ট এর বাইরের কিছু কথা প্রাসঙ্গিক হওয়াতে চলে আসতে পারে যদিও তা মূখ্য নয় কিন্তু একেবারে অবিবেচনা করলেও হবেনা।

স্টোরের আরেকটা খুবই মেজর সমস্যা হল জায়গার স্বল্পতা। বেশীরভাগ মালিক কারখানা স্থাপনের সময় প্লান করেন কাচামাল কিনবেন, প্রোডাকশন করবেন আর শিপমেন্ট করবেন। ব্যস, প্রোডাকশনে যত পারা যায় গাদাগাদি করে মেশিন সেটআপ করে উৎপাদন বেশী করা আর রপ্তানী বাড়ানো। কাচামালের স্টোর, ফিনিশ প্রোডাক্ট এর স্টোর কিংবা প্রোডাকশন ফ্লোরে WIP রাখার মত পর্যাপ্ত জায়গা রাখেনা বা রাখার প্রয়োজনীয়তা বুঝানোর মত কেউ নাই। এই যে জায়গার অভাবে মালামাল রাখতে না পারা এটারও সবচেয়ে বড় প্রেশারটা স্টোরের লোকরা মাথায় নিয়ে ঘুরতে হয়। একেতো উন্নত প্রশিক্ষণ না থাকায় কিভাবে অল্প জায়গায় অধিক মালামাল রাখা যায় তা তারা জানেনা, অন্যদিকে পুরোনো মেয়াদোত্তীর্ণ কাচামালে গুদাম হয়ে থাকে ডাস্টবিনের চেয়েও খারাপ আর জঘন্য। ফলাফল যা হবার তাই, যথাসময়ে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল খুজে পাওয়া যায়না। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অবশেষে খুজে পেলেও পন্যের গুনগত মান নষ্ট হয়ে যায় অনেক সময়। এর কারণ পন্য কিভাবে রাখা দরকার কোন পরিবেশে রাখতে হবে, এর কোন ধারনা তাদের থাকেনা বা দেয়া হয়না। বেশীর ভাগ RMG কারখানায় প্রয়োজনীয় সবগুলো ফেসিলিটি থাকেনা। যেমন: ওয়াশিং, এমব্রয়ডারি, প্রিন্টিং ইত্যাদি। এইসব WIP অপারেশন বা রাখার জন্য যখন কোথাও জায়গা নাই তখন মরার উপর খরার ঘায়ের মত স্টোরে পাঠিয়ে অব্যবস্থাপনার লোকজন নিশ্চিন্তে ঘুমান আর স্টোরের লোকের অবস্থা তখন মধুসূদন ত্রাহি। ফিনিশ প্রোডাক্ট রাখার জন্য যে পরিমান জায়গা বরাদ্দ আছে তার ৫ গুন বেশি মজুদ পড়ে থাকে। এই জন্য ৫ গুন অতিরিক্ত চাপ হিসাব রাখা আর খুজে খুজে শিপমেন্ট দেয়া তাও সেই আমার মত কোথাও চাকরি খুজে না পাওয়া লোকদেরকেই করতে হয়!

প্রত্যেক মাসে ষ্টেশনারী খাতে একটা বরাদ্দ থাকে। সব কোম্পানিতে অবশ্য থাকেনা। তো বরাদ্দকৃত বাজেট কেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিতরণের ক্ষেত্রে হয়না। এরপর মাসের ৩য় প্রান্তিকে এসে কাগজ কলম দিতে না পারার অপরাধে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেককেই জানি তারা শুধুমাত্র এই কারনে জব ছেড়ে দিয়েছে। জায়গা স্বল্পতার চাপ নিতে না পেরে অনেক বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য লোক চাকরি ছেড়ে দিয়েছে

অনেক কম্পানির মালিক ভালভাবেই মনেপ্রাণে চান তার সবকটা ডিপার্টমেন্ট ভাল থাকুক, সুন্দর থাকুক। কিন্তু কিছু সুবিধাভোগী মালিকের কাছাকাছির কর্মকর্তা অন্যদের সুযোগ সুবিধা কমিয়ে নিজেদের সুবিধাগুলো বাড়িয়ে নেবার প্রবনতার কারনেও স্টোর বিভাগ পিছিয়ে আছে। ধরুন, কোন একটা কোম্পানীতে স্টোর ডিপার্টমেন্ট ফাইনান্সের তত্ত্বাবধানে অথবা এডমিনের তত্ত্বাবধানে। এখানে স্টোরকে কখনো সেই দৃষ্টিতে দেখা হয়না যেভাবে দেখা হয় একাউন্টস কিংবা এডমিনের অন্য সাপোর্ট টিমকে।

বিগত ৭/৮ বছরে বিভিন্ন বায়ারের বিভিন্নরকম অডিটের পাশাপাশি এখন আরো অনেকরকম অডিট হয়। দুঃখজনক বিষয় হল অডিটকেই আমাদের ব্যবস্থাপকগন মারাত্মক ভয় পান। অডিটের ২/৩ দিন আগে থেকে শুরূ হয় অডিট মোকাবেলার প্রস্তুতি যেন কোন ঘূর্ণিঝড় আঘাত করবে। Production Floor, Finishing Floor, Packing area, Maintenance room যার যা কিছু অতিরিক্ত এবং পুরোনো জঞ্জাল আছে যা এতদিন বুকে আগলিয়ে রেখেছিল যক্ষের ধনের মত সেসব আসতে থাকে স্টোরে যেন এটা আশ্রয়কেন্দ্র। সবাই মনে হয় ভূলেই যান অডিট স্টোরেও হবে। শুধু হবে বললে কম হবে, শুরুটাও হবে স্টোরে আর শেষটাও হবে স্টোর দিয়ে। কোন অডিট যখন শুরূতেই ভাল কিছু দেখেন তখন তার প্রভাব মনের মধ্যেও পড়ে এবং একটা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে পরবর্তী ধাপগুলো দেখা হয়। তাই স্টোরের অডিটের প্রস্তুতিটা সবচেয়ে বেশী ভাল হতে হয়। আমার এই সুদীর্ঘ কর্মজীবনে যতগুলো অডিটের সম্মুখীন হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ কোনটাতেই ৯০ এর নীচে মার্ক পাইনি। যাও কিছু নাম্বার হারাতাম তাও হয়তো বিষয়টা জানতাম না অথবা এটা কর্তৃপক্ষের সরাসরি সিদ্ধান্তের ব্যাপার ছিল। আমি চাই অডিটের জন্য আলাদা কোন প্রস্তুতি না নিয়ে ২৪/৭ আমার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা। ঘোষিত অথবা অঘোষিত যেকোন অডিট যেকোন সময় হতে পারে তার জন্য আলাদা কিছু করার দরকার নাই।
বেশ কিছু কোম্পানী অডিটের মোকাবেলায় আরো একধাপ এগিয়ে। কয়েকডজন কবার্ডভ্যান ভাড়া করে অতিরিক্ত মালামাল তাতে বোঝাই করে অডিট পার করে। এরপর যেই লাও সেই কদু। শ্রমিক আর কর্মচারীগন এখান থেকে একটা নীরব মেসেজ পায় আর তাহল প্রতারণা। এটা একটা নেতিবাচক কাজ আমাদের সবার উচিত এটা এড়িয়ে চলা।

আমাদের দেশে যেহেতু automation & related support কম তাই এখানে লোডিং আনলোডিং এর মত একটা বড় কাজ শ্রমিক নির্ভর এখনো যা আমাদের নীতিনির্ধারকগনতো বুঝেননা এমনকি সরকারও না। যারা রাত বিরাতে ৩০/৪০/৫০ কেজি ওজন মাথায় নিয়ে কোম্পানীর সরবরাহের গতিবেগ ঠিক রাখে তাদের বেতন ফুলের ঝাড়ু দিয়ে টাইলসের উপর যারা বাতাস করে তাদের চেয়ে কম।

স্টোরে এত হেভিওয়েট লোকের দরকার নাই আর এত সুন্দর করে কি নোবেল পুরস্কার পাব? এই ধরনের মন্তব্য করার মত লোকেরাই অনেক ক্ষেত্রে এই সেক্টরের প্রধান আসন দখল করে বসে আছেন। এরা এই সেক্টর থেকে নিতে এসেছে, দিতে আসেনি। এ জাতীয় বস বা লিডার যতদিন চেয়ার দখল করে থাকবে ততদিন স্টোরের জন্যতো বটেই মালিকের জন্যেও অসম্ভব ক্ষতির কারন তা শুধু সময় এলেই টের পাওয়া যাবে।
সাধারণত স্টোরের কাছে যে চাওয়াগুলো থাকে তা হল:
১) যথা সসময়ে সঠিক ইনভেন্টরি রিপোর্ট,
২) প্রয়োজনীয় সময়ে সঠিক মালামাল সরবরাহ করা,
৩) মালামাল সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা,
৪) অর্ডার অনুযায়ী সর্ট লিস্ট করা ও টাইম টু টাইম আপডেট করা,
৫) অর্ডার শেষে রিকনসাইলিয়েশন করা,
৬) অপ্রয়োজনীয় মালামাল রূটিন করে স্টোর থেকে সরানোর ব্যবস্থা করা।
৭) মালামাল গ্রহণ ও বিতরণের সকল রেকর্ড সংরক্ষণ করা।
৮) পণ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিমাণ ও গুণগত মান যাচাই করা।
৯) গৃহীত মালামাল স্ট্যান্ডার্ড কিনা তার অনুমোদন নেয়া।
১০) কমন আইটেমের ক্ষেত্রে মাসিক বাজেট করা ও বাজেট অনুযায়ী বিতরণ করা।
১১) ঝুঁকিপূর্ণ দ্রব্য আদান প্রদানের সময় PPE ব্যবহার করা,
১২) ঝুঁকিপূর্ণ দ্রব্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা।
১৩) প্রত্যেক পন্যের পরিচিতি লেবেল আছে কিনা তা নিশ্চিত করা।
১৪) মাঝে মাঝে স্টক চেক করা।
১৪) স্টোর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
আরও অন্যান্য……..
উপরোক্ত কাজগুলো সঠিকভাবে করার জন্য একদিকে যেমন একটি নীতিমালা দরকার তেমনি দরকার কিছু ট্রেনিং। দরকার একজন দক্ষ লিডার যে তার টীমকে এগিয়ে নিয়ে যাবার যোগ্যতা ও দক্ষতা রাখে। নিজে শিখবে এবং শেখাবে, নিজে কাজ করবে এবং করাবে।
আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া গত ১৯৯৯ সালের শেষে শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে স্টোর সহকারী হিসেবে যে যাত্রা শুরু  করেছিলাম তা এখনো চলমান। মাঝে আমার কোম্পানীর বিদেশের একটা কারখানার স্টোর অর্গানাইজ করার জন্য আমন্ত্রিত হই। মালিকের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করার জন্য নগদ অর্থ পুরস্কারও পেয়েছি। বর্তমানে আমি স্টোরের কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য ডিপার্টমেন্টকেও সহযোগিতা করি। বিশেষ করে হাউজকিপিং, এক্সেল, নিরাপত্তা, প্রশাসন ও অর্গানাইজেশন ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকভাবে সুন্দরভাবে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সবার সেরা যোগ্যতাসম্পন্ন হয়ে সম্মানের সাথে কাজ করার তাউফিক দিন।

লেখকঃ ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, স্টোর ডিপার্টমেন্ট, টেক্সইউরোপ (বিডি) লিঃ

6 Comments

    • সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। অনুগ্রহপূর্বক আরএমজি জার্নালের সাথে থাকুন। আপনাকে আমাদের লেখা পড়ার ও সম্ভব হলে লেখার অনুরোধ জানাচ্ছি ।
      ইমেইলঃ chanchal@musician.org
      sms on facebook page: https://www.facebook.com/rmgjournal/
      ভাল থাকবেন। শুভকামনা।

    • সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। অনুগ্রহপূর্বক আরএমজি জার্নালের সাথে থাকুন। আপনাকে আমাদের লেখা পড়ার ও সম্ভব হলে লেখার অনুরোধ জানাচ্ছি ।
      ইমেইলঃ chanchal@musician.org
      sms on facebook page: https://www.facebook.com/rmgjournal/
      ভাল থাকবেন। শুভকামনা।

    • সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। অনুগ্রহপূর্বক আরএমজি জার্নালের সাথে থাকুন। আপনাকে আমাদের লেখা পড়ার ও সম্ভব হলে লেখার অনুরোধ জানাচ্ছি ।
      ইমেইলঃ chanchal@musician.org
      sms on facebook page: https://www.facebook.com/rmgjournal/
      ভাল থাকবেন। শুভকামনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*