তৈরী পোশাক শিল্পে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় ষ্টোর বিভাগের ভুমিকা ও গুরুত্ব

জসীম উদ্দীন

তৈরী পোশাক খাত নিয়ে ভুমিকা বা বর্ণনা দেয়ার কিছু নাই। পাঠক মাত্রই এই সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞাত। পোশাক নির্মাতা দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও নতুন নতুন দেশের নাম এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে ক্রমাগত। ল্যান্ড ভেলু আর সস্তা শ্রমের কারণে এই সব নতুন দেশগুলো দ্রুতই এগিয়ে আসছে। এছাড়া এসব দেশে এই ব্যবসা নতুন হিসেবে সরকারী এবং ক্রেতা দেশ সমূহের বিশেষ সুযোগ সুবিধাতো থাকছেই। এই সব বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ২য় হলেও ক্রমাগতভাবে শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধি, জ্বালানীর স্বল্পতা, সীমাহীন জানজট, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি সুতার উপর বিদেশ নির্ভরতা ইত্যাদি কারণে দেশের পোশাক খাত যে খুব বেশী সুবিধাজনক অবস্থানে আছে তা বলা যাবেনা। তবে, দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও টেকসই কারখানা স্থাপন, পরিকল্পিত ও প্রশিক্ষিত এক ঝাক শ্রমিক ও মধ্যম শ্রেনীর পেশাজীবিদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পাশাপাশি এন্টারপ্রেনারদের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এই খাত মোটামুটি একটা অবস্থানে আছে এবং থাকবে হলফ করে বলা যায়।

সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থাপনা বলতে কি বুঝিঃ পাঠক মাত্রই এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ধারণা সমৃদ্ধ বলেই মনে করি। তথাপি আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট এর মতে বলতে হয়, “একদল সৈন্যবাহিনী ততক্ষণ পর্যন্ত মার্চ করতে থাকবে যতক্ষন তাদের পেট ভরা থাকবে”। এই কারণে অনেকেই আলেকজান্ডার কে সাপ্লাই চেইনের জনক ও মনে করে থাকেন। পরিস্কার করে বললে বলতে হয়, একটা উৎপাদন কারখানায় অব্যাহত উৎপাদনের জন্য যে খাদ্য বা কাঁচামাল সরবরাহ প্রয়োজন তা যথাযথ ভাবে সঠিক সময়ে দিতে না পারলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবেনা যার সর্বশেষ পরিণতিই হল লোকসান। তাহলে আমরা বলতে পারি একটি উৎপাদন বা সার্ভিস নির্ভর ব্যবসায় প্রাথমিক প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কাস্টমারের কাছে পণ্য বা সেবা পৌঁছে দেয়ার সকল প্রক্রিয়ার ধাপ গুলোই হল সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা। এই সরবরাহ ব্যবস্থাপনা যেই কোম্পানীর যত ভাল সেই কোম্পানীর উৎপাদন ও সেবা ততোধিক উন্নত ও টেকসই। নিকট অতীত সময়ের আরেকটি বিষয় এই সাপ্লাই চেইনের সাথে খুব বেশী ঘনিষ্ঠ আর তা হলে sustaining বা টেকসই। অর্থাৎ সুদক্ষ ও সুনিপুন সরবরাহ ব্যবস্থাপনা না থাকলে যে কোন প্রতিষ্ঠান তার উন্নতির রেখা দীর্ঘ মেয়াদে ক্রমোন্নতির পরিবর্তে ক্রমরাশমান হবার শংকাই বেশী।

সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় স্টোরের অবস্থানঃ ব্যবসা বা সার্ভিসের পরিধি অনুযায়ী সাপ্লাই চেইনের পরিধি অনেক ব্যাপক হলেও এটিকে আমরা চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমনঃ ১) সোর্সিং এবং প্রকিউরমেন্ট (Sourcing & Procurement), ২) লজিস্টিক (Logistics), ৩) ওয়্যারহাউজিং (Warehousing) এবং ৪) ডিসট্রিবিউশন (Distribution)।

উল্লিখিত চারটি ধাপের কাজগুলো যে কোন কোম্পানীর বিভিন্ন বিভাগের জনবল দ্বারা সম্পন্ন হয়ে থাকে। কোন কোন ধাপে কয়েকটি বিভাগের সংশ্লিষ্টতা থাকে। মার্চেন্ডাইজিং, কমার্শিয়াল, ফাইনান্স ও ব্যাংকিং এবং ষ্টোর বিভাগ এর মধ্যে সর্বাধিক ভুমিকা পালন করে থাকে। এখন আমরা দেখব কোন কোন ধাপে কোন কোন বিভাগ আংশিক বা পুরোপুরি ভুমিকা রাখে। এর মধ্যে প্রথম ধাপটি অর্থাৎ পণ্যের সুত্র খোঁজা এবং ক্রয়ের সাথে জড়িত থাকে মার্চেন্ডাইজিং, ক্রেতা ও ফাইনান্স বিভাগ। লজিস্টিক ধাপে জড়িত থাকে কমার্শিয়াল (কাস্টমস বন্ডে এবং ব্যাংকিং) এবং ষ্টোর (আংশিক), ওয়্যারহাউজিং ধাপে জড়িত ষ্টোর বিভাগ এবং বিতরণ বিভাগে জড়িত ষ্টোর, কমার্শিয়াল এবং মার্চেন্ডাইজিং (আংশিক) বিভাগ। উল্লিখিত ধাপের আলোকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মদক্ষতার উপর নির্ভর করে সাপ্লাই চেইনের সামগ্রিক সাফল্য ও সফলতা।

স্টোরের প্রত্যক্ষ ভুমিকাঃ এখন আমরা উল্লেখ করব ষ্টোর বিভাগ সাপ্লাই চেইনের কোন কোন ধাপে কতটুকু জড়িত ও কেমন ভুমিকা রাখে। একটি ভাল সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় কোন কাঁচামালের বুকিং যখন দেয়া হয় তখন থেকেই ষ্টোর বিভাগ এই সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িয়ে যায়। তার একটি বুকিং সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট থেকে পেয়ে থাকে যেখানে সম্ভাব্য শিপমেন্ট তারিখ উল্লেখ থাকে। এর পর যেদিন আসল শিপমেন্ট হয় তার একটি নোটিফিকেশন পেয়ে থাকে ই আর পি (যদি থাকে) সিস্টেম থেকে। এছাড়া সাপ্লায়ার কর্তৃক ই মেইলের মাধ্যমেও উক্ত নোটিফিকাশন পাওয়া যায় যাতে করে একটি সম্ভাব্য ই টি এ পাওয়া যায়। এতে করে ষ্টোর বিভাগ কত দিনের মধ্যে উক্ত পণ্য পৌছাবে তা জানতে পারে এবং পণ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারে।

লজিস্টিকঃ ক্রয়কৃত পণ্য যেদিং বন্দরে আনলোড এবং লজিস্টিকে আপলোড হয় তার পূর্বেরদিন কমার্শিয়াল বিভাগ ষ্টোর বিভাগকে জানিয়ে দেয় যাতে কয়টি লজিস্টিকস আসছে এবং তার জন্য আনলোডিং এর ব্যবস্থা নিতে পারে। উল্লিখিত লজিস্টিক পোর্ট থেকে ছেড়ে দেয়ার পর গাড়ির নাম্বার সহ প্রয়োজনীয় প্যাকিং লিস্ট স্টোর বিভাগকে প্রদান করে থাকে কমার্শিয়াল বিভাগ বা তার পক্ষে সি এন্ড এফ। এতে করে লজিস্টিক আনলোডে অনাকাংখিত সময় ব্যয়, গুদামের স্থান সংকুলান ইত্যাদি সমস্যা হ্রাস পায়। এখানে উল্লেখ্য যে বর্ণিত কার্যপ্রাণালী যেই প্রতিষ্ঠানে যত বেশী কার্যকর সেই প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক জরিমানা কম গুনতে হয় আর এর বিপরীত হলে প্রায়শই জরিমানা দিতে হয় অর্থাৎ খরচের পাল্লা ভারী হতে থাকে যার অর্থ ব্যয় বৃদ্ধি।

ওয়্যারহাউজিংঃ আমদানী বা ক্রয়কৃত কাঁচামাল গুদামজাত করে এর গুণগত মান নিশ্চিত করনের পর উৎপাদন বিভাগে সরবরাহ করা পর্যন্ত যে কর্মধাপগুলো বিদ্যমান এই সবই ওয়্যারহাউজিং এর অন্তর্ভুক্ত যার পুরো দায়িত্ব ষ্টোর বিভাগের উপর অর্পিত। একটি সুসংগঠিত ও সু-প্রশিক্ষিত ষ্টোর টীম এই ধাপ গুলো দুততম সময়ে নিপুন ভাবে সম্পন্ন করে ক্রয়কৃত মালামালের কম বা বেশী, গুণগত মান খারাপ বা ভাল, অতিরিক্ত মালামাল লাগবে কিনা ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর প্রারম্ভিক সময়ে দিতে পারে। এতে করে কাস্টমারের চাহিদামত সময়ে সঠিক মানসম্পন্ন পোডাক্ট সরবরাহ করা সহজ হয়ে উঠে। অন্যথায় প্রোডাক্টের মান, সংখ্যা সবই নিম্নগামী হবে এবং যথাসময়ে শিপমেন্ট করতে না পেরে এয়ার শিপমেন্ট করতে হয় যার কারণে একটা কোম্পানী ধীরে তার ব্যবসা হারিয়ে বসে বা ক্রমাগত লোকশান দিতে থাকে। এখানে সংক্ষেপে ওয়্যারহাউজিং এর ধাপগুলো উল্লেখ করা হলঃ পণ্য গ্রহণ ও নির্ধারিত স্থানে রাখা, পণ্যের গুণাগুণ নিশ্চিত করণ, পণ্যের সংখ্যা নিরুপন, পণ্যের সেম্পল অনুমোদন, প্রি-সাইজিং ও প্রি-প্রসেসিং (প্রয়োজন হলে), পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করন, রেকর্ড কিপিং করন, প্রাপ্তি স্বীকার পত্র তৈরী ও প্রদান (জি আর এন), কনজাম্পশন অনুমোদন নেয়া, উৎপাদন বিভাগের চাহিদানুযায়ী কাঁচামাল সরবরাহ করা, অতিরিক্ত বা অব্যবহৃত মালামালের সঠিক হিসাব রাখা এবং নষ্ট কাঁচামাল আলাদাভাবে রাখা। ইত্যাদি ধাপ সমূহ কে সম্পন্ন করবে, কিভাবে করবে, কত সময়ের মধ্যে করবে ইত্যাদি এস ও পি আকারে কোম্পানী লিখিতভাবে জানিয়ে থাকেন এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে পরিপক্ষ করা হয়ে থাকে। এছাড়া কাস্টমস বন্ড, ব্যংক এবং অভ্যন্তরীন অডিট বিভাগ গৃহীত মালামালের হিসাব যেকোন সময় নিরীক্ষণ করে দেখতে পারে তাই প্রয়োজনীয় ফর্ম, ফাইল, রেজিস্টার ও অন্যান্য রেকর্ড অনুর্ধ দুই বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

ডিস্ট্রিবিউশনঃ কার্যাদেশের বিপরীতে উৎপাদিত পণ্য ক্রেতার কাছে সরবরাহের কাজটি করে থাকে মূলত কমার্শিয়াল বিভাগ, মার্চেন্ডাইজার (পার্শিয়াল) এবং ষ্টোর বিভাগ (পার্শিয়াল)। এখানেও উৎপাদিত পণ্যের পেকেট সংখ্যা, প্যাকিং লিস্ট ইত্যাদি গ্রহণ ও ডেলিভারী সিডিউল প্রাপ্ত সাপেক্ষে ষ্টোর বিভাগ লজিস্টিক/কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনারের চাহিদা দিয়ে থাকে। অতঃপর গৃহীত ফিনিশড গুডস ক্রেতার নির্দেশনানুযায়ী লোডিং করে তা ভালভাবে সিকিউরিটি লক লাগিয়ে চালান পত্রের মাধ্যমে সি এন্ড এফ এর নিকট পাঠানো হয় যা পরবর্তীতে ফরওয়ার্ডারের মাধ্যমে ক্রেতা কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিপিং লাইনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেয়া হয়।

সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ষ্টোর বিভাগের আর্থিক ভুমিকাঃ বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে দিন দিন পণ্যের মূল্য কমে যাচ্ছে এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী শ্রমের মূল্য বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের দেশেও শ্রম মূল্য বেড়ে চলছে প্রিতিনিয়ত। এমতাবস্থায় কাঁচামালের বিদেশ নির্ভরতার পাশাপাশি পরিবহণ ব্যয়ের বৃদ্ধি যেন মরার উপর খড়ার ঘা। তাই যেখানে বিশ্ব বাজারে তৈরী পোশাকের দাম কমছে সেখানে আমরা এর গুণগত মান ধরে রেখে সর্বনিম্ন দামে কার্যাদেশ পেতে হলে ব্যয় সংকোচন ছাড়া তা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তাই একদিকে যেমন প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি প্রয়োজন অন্যদিকে তেমনি পণ্যের অপচয় রোধ একান্তরি জরুরী। সেই সাথে উৎপাদিত পণ্যের ত্রুটিমুক্ত হওয়া আরো বেশী গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন কাঁচামাল সরবরাহ অব্যাহত রেখে উৎপাদন বিভাগের ব্রেকডাউন টাইম শূণ্যের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। এই সকল ক্ষেত্রে ষ্টোর বিভাগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সঠিক সময়ে ইনভেন্টরী রিপোর্ট প্রদান, পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করণ, অতিরিক্ত মালামাল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ ও তা পরবর্তী কার্যাদেশে ব্যবহার করা, বিভিন্ন ধরনের কাঁচামালের কনজাম্পশন নিয়ন্ত্রণ, পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম কাঁচামাল ব্যবহার করে নির্ধারিত কার্যাদেশ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ষ্টোর বিভাগ প্রায় ১%-২% কাঁচামাল ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এছাড়াও উল্লিখিত পারফরমেন্স সঠিকভাবে করতে পারলে তা উৎপাদন বিভাগের ওভার টাইম ব্যয় কমাতেও পরোক্ষভাবে ভুমিকা রাখতে পারে যা টাকার অংকে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য হিসেবেই প্রতিফলিত হবে।

প্রয়োজন সুদক্ষ স্টোর টীম ও কর্মী বাহীনিঃ উল্লিখিত সুফল পেতে হলে যে কোন উৎপাদন মূখী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন একটি সুদক্ষ টীম যা কর্মট কর্মী বাহিনী দ্বারা গঠিত হবে। বিভিন্ন পদে নিয়োগকৃত এই সব কর্মী যেমন স্টোর সহকারী, ষ্টোর কিপার, ষ্টোর অফিসার এবং ষ্টোর কিউ এ দেরকে পরিকল্পিত এবং প্রয়োজনীয় ট্রেনিং ও ফেসিলিটির মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে সুদক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কর্মীদের মাঝে কর্মস্পৃহা বজায় থাকার মত পারিশ্রমিক দিয়ে কোম্পানীর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে অবশ্যই তারা উল্লিখিত ভুমিকা রাখতে পারবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল এই উপমহাদেশে যেকোন কারখানায় স্টোরকে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত হতে দেখা যায় যার কারণে সেই সব কারখানাগুলোতে প্রচুর কাঁচামালের অপচয় হয় এবং সঠিক সময়ে সঠিক মালামাল খুঁজে পাওয়া যায়না। ফলশ্রুতিতে প্রোডাকশনের গতি ব্যাহত হয়, অতিরিক্ত কাঁচামাল ক্রয় করে শিপমেন্ট করতে হয় এমনকি একপর্যায়ে এয়ার শিপমেন্টের মত আত্নঘাতি কাজও করতে হয়। এতে করে কোম্পানী সামগ্রিক ভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় যা একেবারেই কাম্য নয়।

লেখকঃ ডিজিএম-স্টোর, টেক্সিউরোপ (বিডি) লিঃ

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*